পটাশপুরে ব্রজলালপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় কয়েক দশকের প্রাচীন তারট সর্বজনীন বাসন্তী পুজো ও মেলা কমিটির পুজো।ষষ্ঠী থেকে শুরু হয়েছে। চলবে আগামী এক সপ্তাহ ধরে।
বাবা,মাকে গুলি করে নিজে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা অভিযুক্ত সাব ইন্সপেক্টর জয়দেব চট্টোপাধ্যায়। ঘটনায় আশঙ্কাজনক অভিযুক্ত জয়দেবকে ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। কেন এই ঘটনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়গ্রাম শহরের রঘুনাথপুর গৌরিয়ামঠের একটি ভাড়া বাড়িতে। জানা গিয়েছে, এদিন সকালে ডিউটি থেকে বাড়ি ফেরেন ওই পুলিশ কর্মী। এরপরেই এই ঘটনা।
পটাশপুর- সকালে নেশার জন্য মায়ের কাছে টাকা চেয়েছিল গুনধর ছেলে। টাকা না দেওয়ায় রাগে রান্না ঘরের ধারালো বটি নিয়ে মায়ের গলায় কোপ মারলো ছেলে। তড়িঘড়ি আহত মহিলাকে উদ্ধার করে এগরা সুপার স্পেসালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পুলিশ আটক করেছে অভিযুক্ত ছেলেকে। পটাশপুরের হাট গোপালপুরের বাসিন্দা নিয়তি দলপতির দুই ছেলে। বাড়িতে চাষবাস করে তাদের জীবিকা নির্বাহ হয়। দুই ছেলে ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাছ করতে থাকতো। বছর দুয়েক যাবত বছর পঁচিশের বড়ো ছেলে কৌশিক দলপতি বাড়িতে রয়েছে। অভিযোগ বাড়িতে থাকার সুবাদে প্রতিনিয়ত বন্ধুদের সঙ্গে মদ ও গাঁজার নেশায় ডুবে থাকে। হাতে কাজ না থাকায় নেশার জন্য বাবা ও মায়ের কাছে টাকা চাইতো। চাহিদা মতো টাকা না দিলে মাঝে মধ্যেই বাড়িতে তুলকালাম কাণ্ড ঘটাতো। বুধবার সকালে বাবা মাঠে চাষের জমিতে কাজ করতে বেরিয়ে যায়। বাড়িতে মা ও ছেলে ছিল। নেশার জন্য মাকে টাকা চেয়েছিল গুনধর ছেলে কৌশিক। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় মাকে গালিগালাজ করতে থাকে কৌশিক। দুজনের মধ্যে বচসা চলছিল। এমন পরিস্থিতিতে ছুটে গিয়ে রান্না ঘরে থাকা ধারালো বটি নিয়ে এসে মায়ের গলায় কোপ দেওয়ার চেষ্টা করে অভিযুক্ত যুবক। হাত দিয়ে ধারাল...
এগরা- শ্রেনী কক্ষের মধ্যে ইতিহাসের শিক্ষকের এলোপাথাড়ি লাঠির আঘাতে আহত হলো ১৫ জন ছাত্রী সহ মোট সতেরো জন পড়ুয়া। আহত ছাত্র ছাত্রীদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা সন্ধ্যা পর্যন্ত স্কুলের স্টাফ রুমে তালা বন্ধ করে শিক্ষকদের আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে ছুটতে হয়েছে মহকুমা শাসক থেকে পুলিশ আধিকারিকদের। এগরার অস্তিচক সুরেন্দ্র যোগেন্দ্র বিদ্যাপীঠে বৃহস্পতিবার অষ্টম শ্রেনীর তৃতীয় ক্লাসে নিয়েছিলেন ইতিহাসের শিক্ষক । ওই শিক্ষকের বাড়ি কাঁথিতে। অভিযোগ ছাত্র ছাত্রীরা পড়া না পারায় বেশ শ্রেনী কক্ষের মধ্যে ১৫ জন ছাত্রী সহ দুজন ছাত্রকে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। শিক্ষকের এলো পাথাড়ি মারধরে হাতে ও পায়ে একাধিক জায়গায় রক্তপাতের মতো পরিস্থিতি তৈরী হয়। টিফিনের পরে অন্য এক শিক্ষক শ্রেনী কক্ষে পড়াতে এলেই এই বিষয়টি জানতে পারেন। আহত ছাত্র ছাত্রীরা বেঞ্চে শুয়ে পড়ে কাতরাচ্ছিল। প্রধান শিক্ষক সহ অনান্য সহকারী শিক্ষকেরা এসে আহত ছাত্র ও ছাত্রীদের অফিস ঘরে নিয়ে যায়। স্থানীয় ওষুধের দোকান থেকে ব্যাথা নাশক স্প্রে ও মলম আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে লাগিয়ে দিয়ে ...
Comments
Post a Comment