Posts

এগরাতে আদালত তৈরী হতে চলেছে

এগরা- মহকুমা বাসীর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবশেষে অবসান হতে চলেছে। আদালত ভবন সহ আবাসন তৈরীতে প্রয়োজন প্রায় তিন একর জমি পূর্ত দফতরকে হস্তান্তর করলো এগরা পুরসভা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে প্রকল্প খাতে অর্থ বরাদ্দ হলেই কয়েক মাসের মধ্যে আদালত তৈরীর কাজ শুরু হবে বলে দাবী।   গত ২০০২ সালে ১ জানুয়ারিতে তেইশ বছর আগে অবিভক্ত মেদিনীপুর ভেঙে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৈরী হয়। সেই জেলায় কাঁথি মহকুমা ভেঙে এগরা মহকুমা গঠন হয়। দু'দশকের পরেও আদালত সহ পরিবহণ অফিস থেকে একাধিক সরকারি দফতর তৈরী হয়নি। মহকুমা বাসীর ভরসা সেই পঞ্চাশ কিলোমিটার দূরে কাঁথি মহকুমা আদালত। আইনি সমস্যা পড়লেই রাত থেকে উঠে ছুটতে হয় কাঁথি আদালতে। একই সমস্যা পরিবহণ বিভাগের। এগরা মহকুমায় আঞ্চলিক পরিবহণ কার্যালয় (আরটিও) অফিস না থাকায় গাড়ির কাগজপত্র থেকে চালকদের বৈধ শংসাপত্র তৈরী করতে বাহন নিয়ে ছুটতে হয় কাঁথি মহকুমাতে। আদালতের দাবীতে দীর্ঘ আন্দোলনে দেখেছে এগরা শহর। অবশেষে সেই প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে। কয়েক দফায় জেলা ও হাইকোর্টের বিচারকেরা এগরা মহকুমায় আদালত তৈরীর জন্য জমি পরিদর্শন করেছিলেন। প্রথমে মহকুমা শাসকের দফতর সংলগ্ন কৃষি দফতরের জমি পরিদর্শন...

পুজোর জন্য বাড়িতে চুরি। চিনে ফেলতে বৃদ্ধাকে খুন দুষ্কৃতী কিশোরের।

পটাশপুর- পুজোয় হাত খরচের টাকা জোগাড় করতে একাকী অসুস্থ বৃদ্ধার বাড়িতে ঢুকে চুরি করছিল বছর পনেরো কিশোর। চিনে ফেলায় অসুস্থ বৃদ্ধার গলায় লাইলনের দড়ি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করলো কিশোর দুষ্কৃতী। পুলিশ মৃত দেহ উদ্ধার সহ অভিযুক্ত কিশোরকে গ্রেফতার করলো। পুজোর মধ্যেই একাকী বৃদ্ধার খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পটাশপুরে।  পটাশপুরে অমরপুর গ্রামের বৃদ্ধা গৌরীবালা কর(৮২) একা বাড়িতে থাকেন। স্বামীর কয়েক বছর আগে মৃত্যু হয়েছে। দুই ছেলে কর্মসূত্রে পরিবার নিয়ে কলকাতায় থাকেন। অসুস্থতার কারণে বৃদ্ধা বছর খানেক হলো হাঁটাচলা করতে পারেননা। মা কে দেখাশোনার জন্য  গ্রামের এক মহিলাকে রেখেনেছ বৃদ্ধার বড়ো ছেলে। সেই মহিলা দুবেলা রান্না করা সহ বৃদ্ধার দেখাভাল করেন। মাস তিনেক আগে বৃদ্ধার বাড়িতে রাতে ঢুকে কয়েক হাজার টাকা চুরি করেছিল প্রতিবেশী বছর পনেরোর অভিযুক্ত কিশোর সুরজিত দাস অধিকারী। সেই সময় বৃদ্ধা কিশোরকে চিনে ফেলেছিল। পরবর্তীতে  গ্রামবাসীরা ধরপাকড় করে কিশোরের কাছ থেকে চুরির করা কয়েক হাজার টাকা উদ্ধার করেছিল। গ্রামে আকছার লোকজনের বাড়িতে চুরি করতো। পুজোয় হাত খরচের জন্য শনিবার পঞ্চমীর রাতে বৃদ্ধার বাড়িতে ...

সরবতে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্বামীকে খুনের চাঞ্চল্য পটাশপুরে

পটাশপুর- স্ত্রীর পরকীয়ায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন স্বামী। তৃতীয়ার দিনে প্রেমিকের দেওয়া ঘুমের ওষুধ  সরবতের সঙ্গে মিশিয়ে দিয়ে স্বামীকে খাইয়ে দিয়ে খুন করলো স্ত্রী। পুলিশ অভিযুক্ত যুবতীকে গ্রেফতার করলো। খুনের অভিযোগ স্বীকার করেছে ধৃত যুবতী।   পটাশপুরে সাতসতমালের বাসিন্দা সপ্তরথী বর(৪৫) শঙ্করপুরে ট্রালারে মৎসজীবির কাজ করেন। ট্রলারে কাজ করার সুবাবে অধিকাংশ সময়ে ওই ব্যক্তি বাড়ির বাইরে থাকতেন। বাড়িতে বছর আটত্রিশের স্ত্রী নমিতা ও বৃদ্ধা মা সহ তাদের পনেরো বছরের একটি ছেলে থাকতো। নমিতা সংসার চালাতেন। স্বামীর অনুপস্থিতর সুযোগে গ্রামের এক যুবকের সঙ্গে পরকীয়ার লিপ্ত হয়ে পড়েছিলেন স্ত্রী নমিতা। এই নিয়ে পরিবারে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বাড়ি ফিরলে অশান্তি শুরু হতো। ছেলের অবর্তমানে অভিযুক্ত যুবক তাদের বাড়িতে আসাতো বলে দাবী। বাইরের লোক বাড়িতে আসায় বৃদ্ধা শাশুড়ি শিপুবালা বর প্রতিবাদ করলে গুনধর বৌমা বৃদ্ধার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠতেন। পুজোর উপলক্ষে প্রেমিক যুবকের কাছ থেকে পুজোর উপহার নিয়েছিলেন ওই মহিলা। মহালয়ার পরের দিন বুধবার সন্ধ্যায় ট্রারালের কাজ শেষ করে স্বামী সপ্তরথী বাড়িতে ফিরেছিলেন। যুবকের কাছ থেক...

পকসো আইনে গ্রেফতার শিক্ষক

এগরা- স্কুলে ছাত্র ছাত্রীদের মারধরের ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষক বিপ্লব পন্ডাকে গ্রেফতারের করলো।  ক্ষিপ্ত জনতারা বিক্ষোভের মধ্যেই একাধিক শ্রেনী কক্ষের ঢুকে চেয়ার টেবিল ও বেঞ্চ সহ সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করেছে। ভাঙচুর চালানো হয়েছে অভিযুক্ত শিক্ষকের মোটর বাইকে। স্কুলে অস্থির পরিস্থিতির জেরে শনিবার পর্যন্ত স্কুল ছুটি দেওয়া হয়েছে। স্কুল ছুটির জেরে স্কুলে হয়নি শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠান। আহত ছাত্র ছাত্রীরা সকলেই সুস্থ হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরেছে।  এগরার অস্তিচক সুরেন্দ্র যোগেন্দ্র বিদ্যাপীঠে শুক্রবার ইংরেজি শিক্ষক অনুপস্থিত ছিলেন। পরিবর্ত হিসেবে তৃতীয় ক্লাসে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক বিপ্লব পন্ডা অষ্টম শ্রেনীর 'সি' বিভাগে ইংরেজি বিষয়ে ক্লাস নিতে গিয়েছিলেন। অভিযোগ সেই সময়ের ছাত্র ছাত্রীরা পড়া না দেওয়ায় সতেরোজন ছাত্র ছাত্রীদের মারধর করে। শিক্ষকের মারে অসুস্থ ছাত্র ছাত্রীদের গঙ্গাধরবাড় গ্রামীন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনা ছড়িয়ে পড়তেই কয়েকশ ক্ষুব্ধ জনতা স্কুলে ঢুকে পড়ে। অভিযুক্ত শিক্ষককে আটকে চলে বিক্ষোভ। স্টাফ রুমে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত শিক্ষকদের আটকে রাখে বিক্ষোভকারীরা...

শিক্ষকের মারে অসুস্থ ১৫ জন ছাত্র ছাত্রী ভর্তি হাসপাতালে। স্কুলে বিক্ষোভ ভাঙচুর

এগরা- শ্রেনী কক্ষের মধ্যে ইতিহাসের শিক্ষকের এলোপাথাড়ি লাঠির আঘাতে আহত হলো ১৫ জন ছাত্রী সহ মোট সতেরো জন পড়ুয়া। আহত ছাত্র ছাত্রীদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা সন্ধ্যা পর্যন্ত স্কুলের স্টাফ রুমে তালা বন্ধ করে শিক্ষকদের আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে ছুটতে হয়েছে মহকুমা শাসক থেকে পুলিশ আধিকারিকদের।  এগরার অস্তিচক সুরেন্দ্র যোগেন্দ্র বিদ্যাপীঠে বৃহস্পতিবার অষ্টম শ্রেনীর তৃতীয় ক্লাসে নিয়েছিলেন ইতিহাসের শিক্ষক । ওই শিক্ষকের বাড়ি কাঁথিতে। অভিযোগ ছাত্র ছাত্রীরা পড়া না পারায় বেশ শ্রেনী কক্ষের মধ্যে ১৫ জন ছাত্রী সহ দুজন ছাত্রকে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। শিক্ষকের এলো পাথাড়ি মারধরে হাতে ও পায়ে একাধিক জায়গায় রক্তপাতের মতো পরিস্থিতি তৈরী হয়। টিফিনের পরে অন্য এক শিক্ষক শ্রেনী কক্ষে পড়াতে এলেই এই বিষয়টি জানতে পারেন। আহত ছাত্র ছাত্রীরা বেঞ্চে শুয়ে পড়ে কাতরাচ্ছিল। প্রধান শিক্ষক সহ অনান্য সহকারী শিক্ষকেরা এসে আহত ছাত্র ও ছাত্রীদের অফিস ঘরে নিয়ে যায়। স্থানীয় ওষুধের দোকান থেকে ব্যাথা নাশক স্প্রে ও মলম আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে লাগিয়ে দিয়ে ...

সার্ভিস রিভালবার থেকে গুলি করে বাবা ও মাকে খুন

বাবা,মাকে গুলি করে নিজে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা অভিযুক্ত সাব ইন্সপেক্টর জয়দেব চট্টোপাধ্যায়। ঘটনায় আশঙ্কাজনক অভিযুক্ত জয়দেবকে ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। কেন এই ঘটনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়গ্রাম শহরের রঘুনাথপুর গৌরিয়ামঠের একটি ভাড়া বাড়িতে। জানা গিয়েছে, এদিন সকালে ডিউটি থেকে বাড়ি ফেরেন ওই পুলিশ কর্মী। এরপরেই এই ঘটনা।  

বটির কোপ মারার অভিযোগে গ্রেফতার ছেলে

পটাশপুর- সকালে নেশার জন্য মায়ের কাছে টাকা চেয়েছিল গুনধর ছেলে। টাকা না দেওয়ায় রাগে রান্না ঘরের ধারালো বটি নিয়ে মায়ের গলায় কোপ মারলো ছেলে। তড়িঘড়ি আহত মহিলাকে উদ্ধার করে এগরা সুপার স্পেসালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পুলিশ আটক করেছে অভিযুক্ত ছেলেকে।  পটাশপুরের হাট গোপালপুরের বাসিন্দা নিয়তি দলপতির দুই ছেলে। বাড়িতে চাষবাস করে তাদের জীবিকা নির্বাহ হয়। দুই ছেলে ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাছ করতে থাকতো। বছর দুয়েক যাবত বছর পঁচিশের বড়ো ছেলে কৌশিক দলপতি বাড়িতে রয়েছে। অভিযোগ বাড়িতে থাকার সুবাদে প্রতিনিয়ত বন্ধুদের সঙ্গে মদ ও গাঁজার নেশায় ডুবে থাকে। হাতে কাজ না থাকায় নেশার জন্য বাবা ও মায়ের কাছে টাকা চাইতো। চাহিদা মতো টাকা না দিলে মাঝে মধ্যেই বাড়িতে তুলকালাম কাণ্ড ঘটাতো। বুধবার সকালে বাবা মাঠে চাষের জমিতে কাজ করতে বেরিয়ে যায়। বাড়িতে মা ও ছেলে ছিল। নেশার জন্য মাকে টাকা চেয়েছিল গুনধর ছেলে কৌশিক। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় মাকে গালিগালাজ করতে থাকে কৌশিক। দুজনের মধ্যে বচসা চলছিল। এমন পরিস্থিতিতে ছুটে গিয়ে রান্না ঘরে থাকা ধারালো বটি নিয়ে এসে মায়ের গলায় কোপ দেওয়ার চেষ্টা করে অভিযুক্ত যুবক। হাত দিয়ে ধারাল...